মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

এ জেলার প্রখ্যাত ব্যক্তিত্ব

 

দিয়ানতুল্লাহ চৌধুরী ওরফে লুকা চৌধুরী (১৮০১-১৯০৬): দিয়ানতুল্লাহ চৌধুরী চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার বর্ধিষ্ণু গ্রাম মহারাজপুরে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন নীল বিদ্রোহের নায়ক।

 

গিরিশ চন্দ্র সিংহঃ গিরিশ চন্দ্রসিংহ বিশাল ভূ-সম্পত্তির অধিকারী ছিলেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি দানশীল ও সমাজসেবী হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেন।

 

রফিক মন্ডলঃ চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার নারায়নপুরের রফিক মন্ডল ওহাবি আন্দোলনের নেতা ছিলেন।

 

গনিতজ্ঞ প্রফেসর আব্দুর রহিম (১৮৯৫-১৯৫৮): জন্ম পৌর এলাকার খামার (বর্তমানে উপর রাজারামপুর) গ্রামে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রথম পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক। গণিত বিষয়ক তাঁর অসংখ্য গ্রন্থ পাঠ্যপুস্তক হিসেবে জনপ্রিয়তা পেয়েছে।

 

ড. জহুরুল হক (১৯২৩-১৯৯৮): রাজারামপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি শিক্ষা, সাহিত্য, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে গেছেন।

 

বাবু অভয় প্রদ মুখার্জী (১৯২২-৯৯): চাঁপাইনবাবগঞ্জের সবশ্রেণীর মানুষের শ্রদ্ধারপাত্র বাবু অভয়পদ মুখার্জী পেশায় একজন স্কুল শিক্ষক ছিলেন। শিক্ষকতা করে তিনি যে অর্থ পেতেন তা অন্য গরীব ছাত্র-ছাত্রীদের দান করতেন।

 

রমেন মিত্র (হাবু বাবু): নাচোলের তেভাগা আন্দোলনের নেত্রী ইলা মিত্রের স্বামী এবং নিজেও আন্দোলনের প্রথম সারির নেতা ।

 

কুতুব উদ্দিন: গম্ভীরার জনক।

 

রফিকুন্নবী(র, নবী): চিত্রশিল্পে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পিছিয়ে থাকলেও এ জেলার কৃতী সন্তান রফিকুন্নবী (রনবী নামে পরিচিত) শুধু বাংলাদেশেই নয়, আন্তর্জাতিকভাবেও খ্যাতিও সম্মান লাভ করেছেন। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোবরাতলা গ্রামে ১৯৪৩ সালের ২৮ নভেম্বর জন্মগ্রহণকারী ‘টোকাই’র স্রষ্টা রনবী বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটে অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত আছেন। বাবা রশীদুন নবী ছিলেন পুলিশ কর্মকর্তা। মা আনোয়ারা বেগম ছিলেন জমিদার পরিবারের সন্তান। ১৯৭৮ সাল থেকে টোকাই কার্টুন নিয়মিত প্রকাশিত হতে থাকে সাপ্তাহিক বিচিত্রায়। তাঁর ‘টোকাই’ আজ দেশের নির্যাতিত, নিপীড়িত ও অবহেলিত মানুষের পক্ষ থেকে প্রতিবাদী ভূমিকা পালন করে আসছে।

 

ড. মনিরুজ্জামান মিঞা: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি।

 

মমতাজ উদ্দিন আহমেদ: প্রখ্যাত নাট্যকার মমতাজ উদ্দিন আহমদ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার ভোলাহাট উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা কলিমুদ্দিন আহমদ ও মা বেগম সখিনা খাতুন।

 

কাজী জালাল আহমদ: ধনাঢ্য পরিারের সন্তান কাজী জালাল আহমদ সোনার চামুচ মুখে নিয়ে ভোলাহাট উপজেলায় পহেলা জানুয়ারী  ১৯৩০ সালে জন্মগ্রহন করেন। পিতার নাম ডাঃ কাজী আজাহার উদ্দিন। তিনি মালদা জেলা স্কুল হতে ১৯৪৬ সালে মেট্রিক ও ঢাকা বিম্ববিদ্যালয় হতে ১৯৫১ সালে রসায়নে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি পরে পি.এস.সি সম্পন্ন করে পাকিস্তান সরকারের সিভিল সার্ভিস ক্যাডারে ম্যাজিষ্ট্রেট হিসেবে যোগদান করেন। ১৯৬০ সালে পাবনার জেলা প্রশাসক হিসেবে নিযুক্ত হন। পরবর্তীকালে তিনি যোগাযোগ সচিব , শিক্ষ সচিবসহ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের চাকুরীর পদ অলংকার করেন। ১৯৮৯ সালে তিনি সর্বশেষ প্রতিরক্ষা সচিব হয়ে অবসর গ্রহন করেন।

ছবি


সংযুক্তি


সংযুক্তি (একাধিক)



Share with :

Facebook Twitter